ভ্যাকসিন নিলেই কি দ্রুত স্বাভাবিক জীবনের ছন্দে ফেরা সম্ভব? এই বিষয়ে কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা

মে ০২, ২০২১ সকাল ০৮:৩০ IST

নিজস্ব প্রতিনিধি - মে মাস থেকে দেশে তিনটি ভ‌্যাকসিন নাগরিকদের দেওয়া হবে। কিন্তু এই ভ‌্যাকসিন নিয়ে কি সংক্রমণ থেকে পুরোপুরি মুক্ত হচ্ছেন নাগরিকরা?

বিশেষজ্ঞদের দাবি, সংক্রমণ থেকে বাঁচতে যদিও টিকা নিচ্ছেন অনেকেই, তবুও সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পর যাঁরা টিকা নিচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে ভ‌্যাকসিনই, সংক্রমণের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। যেমন আমেরিকা। সেখানে মঙ্গলবার থেকে টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার প্রক্রিয়াই যাদের সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, তাদের জন‌্য বাড়ির বাইরে বেরোনোর বিধিনিষেধ (আউটডোর মাস্ক প্রোটোকল) অনেকটাই শিথিল করে দেওয়া হয়েছে।

তার কারণ, এই শ্রেণির মানুষদের মধ্যে বাড়তে থাকা ইমিউনিটি, যা এসেছে ভ‌্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর। শুধু তাই নয়, আমেরিকায় বর্তমানে ৫০ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ইতিমধ্যেই কোনও না কোনও ভ‌্যাকসিনের অন্তত একটি ডোজ নিয়ে ফেলেছেন।

আমেরিকার দাবি, টিকাকরণ যাদের সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, বয়সের বিচারে যাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল বলে ধরা হয়, তাদের করোনায় মৃত‌্যুর হার ৮০ শতাংশ কমে গিয়েছে। আর ভ‌্যাকসিন নেওয়ার পর ইমিউনিটি গড়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগে। যে কোনও অসুস্থতার ক্ষেত্রেই। করোনার ক্ষেত্রে, প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠতে দু থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে।

কিন্তু যাঁরা ভ‌্যাকসিনের একটি ডোজ নিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কী হবে?
বিশেষজ্ঞদের দাবি, তাদেরও ইমিউনিটি তৈরি হবে, টিকা নেওয়ার দুসপ্তাহ পর। কিন্তু তাদের ‘ফুললি ভ‌্যাকসিনেটেড’ গণ‌্য করা হবে না। তারা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ‘ফুললি ভ‌্যাকসিনেটেড’ মানুষদের তুলনায় কিছুটা হলেও কম কার্যকরী হবেন। অসুস্থতা ফের হলেও, তা কম গুরুতর হবে।

'ফুললি ভ‌্যাকসিনেটেড’ মানুষজন ঘরে এবং বাইরে, ঝুঁকিপূর্ণ অসুস্থতা অনেকটাই এড়িয়ে থাকতে পারবেন। তাঁদের সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কম হবে। তারা স্বাভাবিক জীবনে অনেকটাই বেশি ফিরতে পারবেন। তাদেরও করোনা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভিডিয়ো