স্বাধীনতার ৭৫ তম অমৃত মহোৎসবে বাঙালি বিপ্লবীদের আত্ম বলিদানের বিশেষ পর্ব

আগস্ট ১৫, ২০২২ রাত ০১:১৭ IST
62f9513024be5_bong b

অমৃতবাজার এক্সক্লুসিভ –ভারতের বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জানা অজানা কথা নিয়ে আজকের বিশেষ পর্ব । যাদের আত্মত্যাগের কাহিনী পড়লে চোখে আসে সশ্রদ্ধ অশ্রু ধারা । তাঁদের আত্মত্যাগের কথা দেখেনিন সংক্ষেপে ।

নীরা আর্য – দক্ষিণ এশিয়ার অক্ষশক্তির পরাজয়ের পর ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছিল আজাদ হিন্দ ফৌজ । ধরা পড়েছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজের হাজার হাজার সেনানী । রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে লালকেল্লায় তাদের বিচার শুরু হয় । বেশির ভাগ সেনানী ছাড়া পেলেও নীরাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করে, পাঠানো হয় আন্দামানের সেলুলার জেলে । সেখানে তার ওপর যে অমানুষিক বন্যপশুরও অধমের ন্যায় অত্যাচার করা হয়েছিল । 

আন্দামানে নীরাকে রাখা হয়েছিল একটি ছোট কুঠরিতে নীরাকে বন্য জন্তুর মত প্রথমদিন গলায় চেন ও হাতে-পায়ে ছিল শেকল লাগানো বেড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল । নীরাকে কিছু খেতে দেওয়া হয়নি প্রথম দিন । কুঠরির কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে শোয়ার জন্য মাদুর কিংবা কম্বল কিছুই দেওয়া হয়নি । মাঝরাতে এক প্রহরী কুঠরিতে ঢুকে গায়ের ওপর ছুঁড়ে দিয়েছিল দুটো কম্বল । পরদিন সকালে প্রথম খাবার জুটেছিল তাও আবার ছিল ফুটন্ত খিচুড়ি । হাত পায়ের শেকল ভাঙার অজুহাতে কামার নিয়ে এসেছিল জেলার । হাতুড়ি দিয়ে পায়ের হাড় ভেঙে ও নারীদের অত্যাচার করার মধ্যযুগীয় যন্ত্র ‘ব্রেস্ট রিপার’ দিয়ে ডান স্তন উপড়ে ফেলেও নেতাজীর সম্পর্কে কোনও তথ্যই বের করতে গোরা সাহেবরা পারেননি । নীরা নেতাজীর প্রাণ বাঁচাতে নিজের স্বামীকে নিজে হাতে গুলি করে হত্যা করেছিলেন । সেই থেকে নেতাজী তাঁকে নীরা নাগিন বলে অভিহিত করেন । 

লক্ষ্মী সেহগল – যার নীতি ছিল – ‘কর্মই জীবন’ । যিনি ৯২ বছর বয়সেও কানপুরে নিজের ক্লিনিকে নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা করতেন । যিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন এবং ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৪৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বার্মার কারাগারে বন্দী ছিলেন । বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামেও তাঁর অবদান ছিল অতুলনীয় । ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন । নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ১৯৪৩ সালের ২ রা জুলাই সিঙ্গাপুর গিয়ে সেখানে বিভিন্ন সভায় নারী রেজিমেন্ট গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন । যেখানে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীরা অংশগ্রহণ করবে ও স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে লড়াই করার জন্য প্রশিক্ষন গ্রহণ করবে । লক্ষ্মী সেহগল এই বিষয়টি শোনেন এবং নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নারী রেজিমেন্ট গঠনের কর্মপন্থা সম্পর্কে অবগত হন । এই নারী বাহিনীই পরবর্তীকালে ইতিহাস বিখ্যাত ঝাঁসির রানী বাহিনী নামে পরিচিতি পায় । লক্ষ্মী সেহগল ও সেই দলের ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী নামে পরিচিতি পান ।

যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (বাঘাযতীন) – ১৯১৫ সালের ৯ ই সেপ্টেম্বর ইংরেজদের থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য অস্ত্র আনার পরিকল্পনা করেন যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ওরফে বাঘাযতীন । বালেশ্বরে সহকর্মীদের নিয়ে জাহাজ থেকে সেই অস্ত্র নামানোর সময় ইংরেজ পুলিশ বাহিনী ঘিরে ফেলে তাঁদের । বুড়িবালামের তীরের লড়াই আজও সকলের মনে গাঁথা রয়েছে । ৯ই সেপ্টেম্বর ১৯১৫ সালে সূর্যাস্তের সঙ্গে  অবসান হল সেই লড়াইয়ের । পরদিন বালেশ্বর সরকারি হাসপাতালে বাঘাযতীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । 

ননীবালা দেবী – প্রথম মহিলা রাজবন্দী এবং বাঙালী বঙ্গ বিপ্লবী ‘ননীবালা দেবী’। ননীবালা দেবী, ভাইপো অমরেন্দ্র চ্যাটার্জীও তাঁর সহকর্মীদের আশ্রয় দেন রিষড়ায় নিজের বাড়িতে। রামচন্দ্র মজুমদার একটি মাউজার পিস্তল কোথায় রেখেছেন, তা গ্রেফতার হওয়ার সময় বলে যেতে পারেননি । সেই তথ্য আনতে সেকালের বাল্য বিধবা মাথায় সিঁদুর পড়ে সধবা সেজে প্রেসিডেন্সী জেলে গিয়ে রামচন্দ্র মজুমদারের স্ত্রী সেজে সেই পিস্তলের খবর এনে দেন । পুলিশ যখন ননীবালা দেবীর সন্ধান পায়, তখন ননীবালা দেবী ৩ দিনের কলেরা আক্রান্ত রোগী । তাঁকে স্ট্রেচারে করে পেশোয়ার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়, কিছুদিন পরে একটু সুস্থ্য হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় কাশীর জেলে এবং শুরু হয় তাঁর ওপর নির্মম অত্যাচার । ২ বাটি লঙ্কা বাটা ননীবালা দেবীর গোপনাঙ্গে দিয়ে দেয় । ঐ অসহ্য জ্বালা, যন্ত্রণা তিনি অসুস্থ্য শরীরে সহ্য করেছিলেন। তবুও তাঁর কাছ থেকে কোনও খবর পায়নি পুলিশ । এছাড়াও কাশীর জেলে মাটির নীচে আলো-বাতাস হীন কবরের মতো আকারের ছোট সেলে ননীবালা দেবীকে প্রায় ৪৫ মিনিট আটকে রাখা হত । যখন তাঁকে সেখান থেকে মুক্ত করা হত তখন ননীবালা দেবী সংজ্ঞাহীন । তবুও স্বদেশীদের কোনও হদিশ কখনোই পায়নি পুলিশ । 

মাষ্টার দা সূর্য সেন –পূর্ববঙ্গে জন্ম নেওয়া এই বাঙালি বিপ্লবী তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং নিজ জীবন বলিদান করেন। সূর্যসেনের বাহিনী কয়েকদিনের জন্যে ব্রিটিশ শাসনকে চট্টগ্রাম এলাকা থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল । ১৮ এপ্রিল ১৯৩০, শুক্রবার রাত ৮ টা বিদ্রোহের দিন হিসাবে ঠিক হয় । বিপ্লবীরা আগে থেকেই রেল লাইনের ফিসপ্লেট খুলে নেয় । এর ফলে চট্টগ্রাম সমগ্র বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় । অন্য একটি দল চট্টগ্রামের নন্দনকাননে টেলিফোন এবং টেলিগ্রাফ অফিস আক্রমণ করে । সেখানের সব যন্ত্রপাতি ভেঙ্গে দেয় এবং পেট্রোল ঢেলে সেখানে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয় । আরও একটি দল পাহাড়তলীতে অবস্থিত চট্টগ্রাম রেলওয়ে অস্ত্রাগার দখল করে নেয় । উন্নতমানের রিভলবার ও রাইফেল গাড়ীতে নিয়ে অস্ত্রাগারটি পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগানো হয় । তবে সেখানে কোনো গুলি পাওয়া যায়নি । সর্বশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী বিপ্লবীরা দামপাড়ায় পুলিশ রিজার্ভ ব্যারাক দখল করে নেয় । এই আক্রমণে অংশ নেওয়া বিপ্পবীরা দামপাড়া পুলিশ লাইনে সমবেত হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন । মিলিটারি কায়দায় কুচকাওয়াজ করে সূর্য সেনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় সেদিন । ১৯৩৪ সালের ১২ই জানুয়ারি মাঝরাতে সূর্য সেনের ফাঁসী কার্যকর হবার কথা । সেদিন সূর্য সেনকে ব্রিটিশ সেনারা নির্মম ভাবে অত্যাচার করে । ব্রিটিশরা হাতুড়ী দিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে তাঁর দাঁত এবং হাড় ভেঙ্গে দেয় । এরপর তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। নিষ্ঠুরভাবে তাদের অর্ধমৃতদেহটি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় । সূর্য সেনের মৃতদেহটি আত্মীয়দের হাতে হস্তান্তর করা হয়নি এবং হিন্দু সংস্কার অনুযায়ী পোড়ানো হয়নি । ফাঁসীর পর মৃতদেহটি জেলখানা থেকে ট্রাকে করে স্টীমার ঘাটে নিয়ে গিয়ে ব্রিটিশ ক্রুজারে করে নিয়ে মৃতদেহটির বুকে লোহার টুকরা বেঁধে বঙ্গোপসাগর আর ভারত মহাসাগরের সংলগ্ন একটা জায়গায় ফেলে দিয়েছিল  ।

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার – মাষ্টার দা সূর্য সেনের শিষ্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার । ১৯৩২ সালের ২৪ শে সেপ্টেম্বর তৎকালীন পূর্ববঙ্গে জন্ম নেওয়া এই বাঙালি বিপ্লবী মাষ্টার দা সূর্য সেনের নেতৃত্বে তখনকার ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং জীবন বিসর্জন করেন । ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব দখলের সময় তিনি ১৫ জনের একটি বিপ্লবী দল পরিচালনা করেন। এই ক্লাবটিতে একটি সাইনবোর্ড লাগানো ছিলো যাতে লেখা ছিলো ‘কুকুর এবং ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ’ । প্রীতিলতার দলটি ক্লাবটি আক্রমণ করে এবং পরবর্তীতে পুলিশ তাদেরকে আটক করে । পুলিশের হাতে আটক এড়াতে প্রীতিলতা সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ।

বিনয়-বাদল-দীনেশ – রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সামনে ১৯৩০ সালের ৮ ই ডিসেম্বর ট্যাক্সি থেকে সাহেবের পোশাক পরে নামলেন । সটান উঠে গেলেন দোতলায় কর্নেল সিম্পসনের ঘরের সামনে । সিকিওরিটিকে ঠেলে ভিতরে প্রবেশ করেন তাঁরা তিন স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত । এরপর তিন জনে মিলে অনর্গল গুলি বর্ষণ করে হত্যা করেন সিম্পসনকে । তবে টেগার সাহেব তাঁর বাহিনী নিয়ে ঘিরে ফেলে তাঁদের । বাদল গুপ্ত ঘটনাস্থলেই পটাশিয়াম সাইনাইট খেয়ে আত্মহনন করেন । তবে দীনেশ গুপ্ত ও বিনয় বসু শেষ বুলেটে নিজেদের আঘাত করেও সফল হননি । বিনয় মেডিকেল ছাত্র হওয়ায় জেল হাসপাতালে থাকা কালীন তাঁর আঘাতে নোংরা হাত বুলিয়ে তা সেপ্টিক করে মৃত্যুকে বেছে নেন । তবে দীনেশ গুপ্ত সেরে উঠেছিলেন । ১৯৩১ সালের ৭ জুলাই তাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয় । 

প্রফুল্ল চাকী ও ক্ষুদিরাম বসু – ‘বন্দেমাতরম’ বলার অপরাধে এক বালককে বেত মারার হুকুম করে কিংসফোর্ড সাহেব । তাঁর বদলা নিতে ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকি ভুল বশত ব্রিটিশ ব্যারিস্টার কেনেডির গাড়িকে কিংসফোর্ড সাহেবের গাড়ি মনে করে বোমা নিক্ষেপ করেন । ব্যারিস্টারের স্ত্রী ও কন্যা এতে নিহত হন । পলায়নেরকালে প্রফুল্ল চাকী আত্মহনন করেন ও ক্ষুদিরাম বসু ধরা পরেন । ১৯০৮ সালের ১১ ই আগস্ট তাঁর ফাঁসি হয় ।

দুকড়িবালা দেবী– যিনি নাকি নিজের দুধের শিশুদের ফেলে রেখে স্বদেশের কাজের জন্য জেলে গিয়েছিলেন । এমন বাঙ্গালী বিপ্লবী দুকড়িবালা দেবীর নামই হয়তো অনেকেই শোনেননি । ১৯১৪ সালে কলকাতায় রডা কোম্পানীর মাউজার পিস্তল ও তার কার্তুজের ৫০ টি বাক্স লুট হয় । তার কিছু আসে তাঁর বোনপো নিবারণ ঘটকের কাছে, সেখান থেকেই দেওয়া ৭ টি মাউজার পিস্তল ও কার্তুজ নিজের হেফাজতে লুকিয়ে রাখেন দুকড়িবালা । পুলিশ খবর পেয়ে ৮ জানুয়ারি ১৯১৭ সালে তার বাড়ি তল্লাশি চালায় এবং দুকড়িবালা দেবী গ্রেপ্তার হন । তাই স্বর্গীয় দুকড়িবালা দেবীকে ইতিহাসের পাতা মনে না রাখলেও আমরা তাঁকে জানাই আন্তরিক সশ্রদ্ধ প্রনাম ।

মাতঙ্গিনী হাজরা – ১৯৪২ সালের ২৯ শে সেপ্টেম্বর ৬০০০ জন সমর্থকের মিছিলকে তমলুক থানার দিকে নিয়ে এগিয়ে যান । তিনি এগিয়ে গেলে পুলিশ তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করে । তবে সেই গুলি তাঁকে এগিয়ে যেতে বাধা দিতে পারেনি, তাই আবারও তাঁকে গুলি করা হয় । তবুও মাতঙ্গিনী থামেননি, মুখে 'বন্দে মাতরম' ধ্বনি নিয়ে এগিয়ে চলেন । তৃতীয় বার যখন গুলি করা হয় তকন তিনি লুটিয়ে পরেন । তবে তিরঙ্গা পতাকাটি উঁচু করে ধরেছিলেন । অবশেষে সেই উঁচু করে রাখা তিরঙ্গা পতাকা হাতে নিয়েই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বীরাঙ্গনা ।

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু – ১৯৪৩ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ইন্ডিয়ার মেনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভের ৪ বছর আগে, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত ঘোষণা করেন । আজাদ হিন্দ সরকারের স্বাধীন ভুখন্ডে তাঁর হাতেই প্রথম তিরঙ্গা উত্তোলন হয়েছিল । তখন নেতাজী ছিলেন আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাষ্ট্রাধিনায়ক ও একই সঙ্গে আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রধান নায়ক । অর্থাৎ তৎকালীন ভারতের আজাদ হিন্দ সরকারের স্বাধীন ভুখন্ডের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু । এছাড়াও নেতাজীর ঝাঁসি রানী রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন ছিলেন ডক্টর লক্ষ্মী সেহগল ও বিশ্বস্ত সৈন্য ছিলেন নীরা আর্য । নীরা দেশদ্রোহী স্বামীর নামের সিঁদুর পড়বেননা বলে মুছেছিলেন তা নিজের হাতেই । নীরা আর্য নেতাজীর প্রাণ বাঁচাতে নিজের স্বামীকে নিজের হাতে গুলি করে হত্যা করেছিলেন ।

আরও পড়ুন

ভুয়ো তালিকা প্রকাশ হতেই পদ থেকে ইস্তফা ভূগোল শিক্ষকের , তীব্র উত্তেজনা বনগাঁয়
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করার পরেই পদ থেকে ইস্তফা শিমূল কুমার বিশ্বাসের

বন্ধুকে বিশ্বাস করি , মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

মোদিই আমাদের একত্রিত করে এক শান্তির বিশ্ব গড়তে সাহায্য করবেন , বার্তা ম্যাক্রোঁর

১০০০তম ম্যাচের নজির লিওনেল মেসির
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

৩-২ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট আর্জেন্টিনার

ঝাড়খন্ড থেকে গ্রেফতার বগটুই অগ্নিকান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখ
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

গত ২১ মার্চের পর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন , টাকা ফুরিয়ে যেতেই সিবিআইয়ের জালে লালন

রাতভর এলাকায় চিরুনি তল্লাশি , হটুগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ৩৫
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

ধৃতদের রাজনৈতিক রঙ না দেখেই গ্রেফতার করা হয়েছে , দাবি পুলিশের

প্রথা ভেঙে প্রথমবার বিশাখাপত্তনমে পালিত হচ্ছে নৌবাহিনী দিবস
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উপস্থিতিতে অপারেশনাল ডেমোনস্ট্রেশনে নৌবাহিনীর যুদ্ধের দক্ষতা প্রদর্শন 

শারীরিক সুস্থতার কথা স্বয়ং জানালেন পেলে ,স্বস্তি ব্রাজিল ভক্তদের
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

পেলের শারীরিক সুস্থতার প্রার্থনা গোটা বিশ্ব

নিজেদের পরীক্ষা করুন, বংশ পরিচয় দেখুন , অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ দিলীপের
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

১৩ বছর লাগলো গরিবদের বাড়ি পৌঁছতে , এখন এসব করে লাভ নেই , অভিষেককে তোপ দিলীপের

রাজ্য সড়কে ট্রাক ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনা , আহত ১৫
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

ট্রাকের ধাক্কায় জেরে পুড়ে ভস্মীভূত বাস , পলাতক চালক সহ খালাসি

আমি একজন আর্মি অফিসারের মেয়ে , বংশের পরম্পরাটাই বহন করছি , দাবি সোমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

বি এড কলেজ পুনর্নবীকরণ দুর্নীতি মামলায় মুখ খুললেন সোমা বন্দ্যোপাধ্যায় 

আজ থেকে শুরু ভারত-বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

ভারতীয় সময় অনুযায়ী ১১.৩০ মিনিট নাগাদ শুরু হবে ম্যাচ

আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশু , হাসপাতালে ভর্তি করাতে গিয়ে নাকানিচবানি পরিবারের
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

দিনভর হন্যে হয়ে ঘুরলো পরিবার , সংবাদমাধ্যম আসরে নামতেই এসএসকেএম সুপারের উদ্যোগে ট্রমা কেয়ার ইউনিটে শিশুকে ভর্তি

রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা ব্যক্তির , ছিন্নভিন্ন দেহ
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং-মাতলা ষ্টেশনের মধ্যবর্তী রেল লাইনে এক অঞ্জাত পরিচয় ব্যাক্তির খন্ডবিখন্ড দেহ উদ্ধার

পুলিশের তৎপরতায় ছিনতাই হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার মোটর বাইক
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

বচসার প্রকোপে ভয় দেখিয়ে আচমকাই বাইকটি ছিনতায় করে পালিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা

সভা থেকে ফেরার পথে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত দিনহাটা , আহত ২
ডিসেম্বর ০৪, ২০২২

তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

ভিডিয়ো