আন্তর্জাতিক চা দিবসের অজানা কাহিনী

মে ২২, ২০২১ দুপুর ১১:০১ IST
60a7ccdd33316_ThinkstockPhotos-875327462

যাদের এক কাপ চা ছাড়া দিন শুরুই হয় না, তাঁদের কাছে প্রত্যেক দিনই চা দিবস। কিন্তু জানেন কি, আন্তর্জাতিক চা দিবসটি পালিত হয় মে মাসে। কারণ পৃথিবী বিখ্যাত চা হিসেবে দার্জিলিং এবং নেপাল প্রসিদ্ধ যেখানে মার্চের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের মধ্যে চায়ের প্রথম ‘ফ্ল্যাশ’টি আসে। এই প্রজাতির চা পরিষ্কার, হালকা, এবং অত্যন্ত সুগন্ধযুক্ত। সর্বোপরি এটি আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া মূল্যে বিক্রি হয়। 

এর দ্বিতীয় ফ্লাশটি আসে জুন এবং আগস্টের মাঝামাঝি যার রঙ স্বাভাবিকের তুলনায় গাঢ় এবং স্বাদ অত্যন্ত প্রখর। এরপর অক্টোবর-নভেম্বর নাগাদ আসে তৃতীয় ফ্ল্যাশ, যার রঙ অতীব গাঢ় এবং এটি বেশ তীক্ষ্ণ স্বাদযুক্ত।

চা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং ক্লান্তি, উদ্বেগ কাটাতে অপরিহার্য। চা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন পানীয় এবং জলের পরে সবচেয়ে জনপ্রিয়। প্রাচীন নথি থেকে জানা গিয়েছে চায়ের উদ্ভব হয়েছিল উত্তর-পূর্ব ভারত, উত্তর মায়ানমার এবং দক্ষিণ পশ্চিম চীনে। এমনকি প্রায় ৫ হাজার বছর আগে চীনে চায়ের প্রচলনের প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে।

চা বাগানে বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ চাষি এবং কর্মীদের কর্মসংস্থান দেওয়া হয়। চায়ের উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াকরণ জাতিসঙ্ঘের ১৭ টি উন্নয়ন স্থির করে। চা শিল্প দারিদ্র্য এবং ক্ষুধা নিবৃত্তিতে সাহায্য করে। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ব্যবহারিক ক্ষেত্রেও অবদান রাখে। 

উৎপাদিত চায়ের অর্ধেকেরও বেশি স্থানীয়ভাবে পানীয় হিসাবে ব্যবহার হলেও ব্যাপকহারে এর বাণিজ্য ও রফতানি করা হয়। বছরের পর বছর ধরে বিশ্বব্যাপী চা শিল্পে দ্রুত বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। মূলত চা হল ক্যামেলিয়া সিনেসিস উদ্ভিদ থেকে তৈরি একটি পানীয় যা আমাদের সতেজ থাকতে সাহায্য করে। 

ভিডিয়ো