চলার পথ অন্তহীন , সাইকেলে বিশ্ব ভ্রমণ সোফিয়া শ্লেইডায়ার

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১ বিকাল ০৭:৪১ IST

অমৃতবাজার এক্সক্লুসিভ , চন্দন ক্লেমেন্ট সিং – স্বপ্ন ছিল বৃক্ষরোপণ । তাই বলে দেশে বিদেশে একটানা সাইকেলে করে ঘুরে ১৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করা কি মুখের কথা । ঠিক এই অসাধ্য সাধন করেছেন জার্মানির মিউনিখ নিবাসি সোফিয়া শ্লেইডায়া ।

সোফিয়া শ্লেইডায়া মিউনিখের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফ্যাখক্সিউল ফর ইকোনোমি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট করেছেন এবং ভারতের গোয়া থেকে বিজনেস সাইকোলজিও যোগার (২০০ ঘন্টার যোগ-শিক্ষার অভিজ্ঞতা) কোর্স সম্পূর্ণ করেছেন । তার পরিবার বলতে বর্তমানে রয়েছেন বিমাতা, এক ভাই, ও তার যমজ বোন । তার পরিবার সম্পর্কে তিনি বলেন, তার পরিবার‌ তার কাছে এক বড়ো ভরসার জায়গা, কারণ তার স্বাধীনতাকে বরাবর‌ই প্রসারিত করেছে তার পরিবারের মানুষজন ।

 তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেই নিঃসঙ্গতা দূর করেন । এমনকি যখনই কোনও সফরে যান, তার পরিবারের উপরেই সমস্ত দায়িত্ব থাকে সোফিয়া’র যাবতীয় কাজ দেখে রাখার । 

অমৃতবাজারের পক্ষ থেকে চন্দন ক্লেমেন্ট সিং- কে সাক্ষাৎকারে এমন অনেক কথাই জানান সোফিয়া শ্লেইডায়া

প্রঃ - আপনি তো আপনার বাইকে চেপে দেশ-বিদেশের অনেক দূর দূর জায়গায় ভ্রমণ করেছেন। তা এই যে অ্যাডভেঞ্চারের নেশা, এটা আপনার মধ্যে জন্মালো কিভাবে?

উঃ - দেখুন, আমার জন্ম‌ই হয়েছে গ্রামে, প্রকৃতির কোলে। এবং প্রকৃতির মধ্যে, গাছ গাছালি,পশুপক্ষীদের সঙ্গেই সময় কাটাতেই ভালোবাসতাম।সারাটা দিন মাঠে ঘাটে, বনে বাদাড়ে খেলে বেড়াতাম, দাপাদাপি করতাম। ২০২০ সালের অক্টোবরে প্যাডি'র সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হল।সাইকেলে করে ১৫০০০ কি.মি. ভ্রমণের আইডিয়াটা কিন্তু ওর থেকেই আমার মধ্যে সংক্রমিত হয়। শুধু এটা নয়। আরো অনেক পরিকল্পনা ওর ছিল।যেমন, কোয়ালা সংরক্ষণের জন্য ওর একটা প্রকল্প ছিল হোম্ ফর কোয়ালাজ়। অস্ট্রেলিয়াতে ১৫০০০ বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা ও তার জন্য ৭৫০০০ টাকা সংগ্রহ, এগুলোও ওর মাথায় ছিল।এসব গগনচুম্বী পরিকল্পনার কথা শোনার পর আমার মনটাও নেচে উঠল! মনে হল, এ তো দারুণ ভাবনা! সাইকেলে চড়ে দেশ-বিদেশ, ওরা আমরা'র বেড়া ডিঙিয়ে বিশ্বভ্রমণ করতে করতে সারা বিশ্বের মানবজাতির সেবা করা, এর চেয়ে উচ্চতর ভাবনা আর কীই বা হতে পারে! এতোগুলো বছর ধরে আমার মনটা তো এমন কিছুর অপেক্ষায় ছিল। আমার মনের ঘুমন্ত বাসনাগুলোকে, স্বপ্নগুলোকে প্যাডি যেন জাগিয়ে তুলল, ভাষা দিল ।তারপর প্যাডি যখন জিজ্ঞেস করল আমি ওর সাথে যোগ দিতে ইচ্ছুক কি না, আমি দ্বিতীয়বার ভাবিনি। এভাবেই শুরুটা হল।

প্রঃ  - এই দীর্ঘ যাত্রার শুরুটা ঠিক কবে হল?

উঃ - উচ্চ-বিদ্যালয়ের গণ্ডী পেরোনোর পর আর ঘরে থাকিনি। বড়ো করে প্রথম বাইরে যাওয়া ২০১২ তে, আমার বন্ধু গ্রেটার সাথে অস্ট্রেলিয়ায় । ওইবার আমরা দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া,কুইন্সল্যাণ্ড,নিউ সাউথ ওয়েল্স ঘুরি। তবে শুধু ঘোরা নয়, কাজ‌ও করেছি। একটা টম্যাটো ফার্মে এক সপ্তাহ ধরে কাজ করেছিলাম আমরা। এই কাজের অভিজ্ঞতা একাধারে মিষ্টি ছিল, ঝাল‌ও ছিল। ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তো অনবদ্য!! দারুণ সুন্দর সব জায়গা, নয়নাভিরাম প্রকৃতি, দারুণ সব লোকজন, খাবারদাবার। এককথায় অসাধারণ অভিজ্ঞতা। তারপর ২০১৬ সালে চীনদেশ, আর ২০১৯ এ গেলাম ভারতে। বেশ কয়েকমাস কাটালাম বন্ধুবান্ধবদের সাথে ঘুরে ঘুরে। অনেক দর্শনীয় স্থান দেখা হল, প্রকৃতির অসাধারণ রূপ, নানান ধরণের লোকজন, বড়ো বড়ো নগর-শহর, নানান রঙের অভিজ্ঞতা, সবটা ভাষায় ব্যক্ত করা যায় না। এখানে একটা কথা বলতে হয়, ভারতে থাকাকালীন যোগাসন-প্রশিক্ষকের তালিম নিই। যোগাসনের প্রতি আমার টান কিন্তু ভারতে থাকাকালীন‌ই গড়ে ওঠে। তারপর তো শুরু হল সাইকেলে করে সেই দীর্ঘতম যাত্রা, যেটা এখন‌ও চলছে। এটা হয়তো আটমাস ধরে চলবে। এই যাত্রায় আমার সঙ্গে রয়েছেন প্যাডি ল্যাঙহর্স্ট, সেই যার কথা আগে বললাম। এই যাত্রাটা শুরু হয়েছে ঠিক তিনমাস আগে। ২৩শে মে'তে মিউনিখে পরিবার-পরিজনদের বিদায় জানিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লাম। ১৫০০০ গাছ আমরা লাগাবো, এর জন্য যে পরিমাণ টাকার দরকার হবে, সেটা এভাবেই আমরা সংগ্রহ করব, এর জন্য ১৫০০০কি.মি. পথ অতিক্রম করব আমরা। হোম ফর কোয়ালা বলে যে প্রকল্পটার কথা বললাম, ১৫০০০ গাছ লাগানোটা হচ্ছে সেই প্রকল্পের‌ই একটা অঙ্গ। এই মুহুর্তে আমি অবস্থান করছি তুরস্কের ট্রাবজ়ন শহরে, এটা কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী একটা বন্দর-শহর। এর অর্থ হল ইতঃমধ্যেই আমাদের ৫০০০কি.মি. পথ অতিক্রম করা হয়ে গেছে।

প্রঃ - এমন কিছু জায়গা যেখানে আপনি গেছেন এবং সেগুলোর মোটামুটি দূরত্ব, যদি বলেন!

উঃ - ওরে বাবা, কি সাংঘাতিক প্রশ্ন!!! দেখুন, এভাবে তো গুনে গুনে বলা যায় না। একদিনে তিন থেকে দশ জায়গায় ঘুরেছি। গরমের দিনগুলোতে জলের জন্য বহু জায়গায় দাঁড়াতে হয়েছে, খাবারের জন্য‌ও কখন‌ও ধাবায়, দোকানে, হোটেলে, রেস্টুরেন্টে দাঁড়িয়ে যেতে হয়েছে। প্রকৃতির মধ্যেও পাত পেড়ে খেয়েছি। কতোও ভিনদেশী অজানা, অচেনা অপরিচিত মানুষের আশ্রয়ে ঠাঁই নিয়েছি! কতোবার যে সম্পূর্ণ অচেনা অজানা মানুষ আমাদেরকে আপন লোকের মতো ঘরে ঢুকিয়ে আদরযত্ন করে খাইয়েছেন, তাদের বাথরুম-ল্যাট্রিন, মায়ের শোবার ঘর অবধি ব্যবহার করতে দিয়েছেন, গুনে বলা মুস্কিল।তবে দেশের নাম, বড়ো বড়ো শহরের নাম, মানে যেখানে যেখানে আমরা গিয়েছি আর কি, সেগুলোর নাম তো বলাই যায়। যেমন - সবার প্রথম মিউনিখ থেকে ইজার নদীর প্রবাহ বরাবর চলতে চলতে ডেইগেনডর্ফ শহরে পৌঁছলাম। তারপর ড্যানিউব নদীর তীর বরাবর যাত্রা করে একেবারে কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী কন্স্টান্টা শহরে, যেটা কি না রোমানিয়ায় অবস্থিত। তারপর আবার সাগরের তীর ধরে চলতে চলতে পূবের দিকে যাত্রা। মিউনিখ ছাড়ার পর এখন‌ও অবধি আটটা দেশে আমরা ঘুরেছি। যেমন, জার্মানি ( ল্যাণ্ডস্-হুট, ডেইগেনডর্ফ, পাসাউ ), অস্ট্রিয়া ( লিন্ট্স্, মেল্ক্,ভিয়েনা ), স্লোভাকিয়া ( ব্রাটিশ্লাভা ), হাঙ্গেরি ( বুডাপেস্ট, বালাটন, পেইঠ), সার্বিয়া ( নবি সাদ, বেলগ্রেড ), ক্রোয়েশিয়া ( কোপাশেভো ), রোমানিয়া ( কন্স্টান্টা ), বুলগেরিয়া ( সানি বিচ, ভার্ণা ), তুরস্ক ( রেবুলাস, ইস্টান্বুল, ইজ়মিয়া, গ্যরেম, আভানোস্, নিক্সার, ওর্দু, ট্রাবজ়ন )।

প্রঃ  - এতো জায়গায় ভ্রমণ, এতো লোকের সান্নিধ্যে আসা, এতো অজানা অচেনা জায়গায় থাকার অভিজ্ঞতা, অবশ্য‌ই রূপকথার‌ই মতো।কিন্তু এমন কোন ঘটনা বা অভিজ্ঞতা, যেটা খুব একটা সুখকর হয়নি?

উঃ - জীবনের দীর্ঘ পথ চলতে চলতে নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা, এর একটা নেশা বা মজা, যাই বলুন, তা তো আছেই। বলাই বাহুল্য।কিন্তু সব অভিজ্ঞতাকেই আমি ইতিবাচক এবং প্রসন্ন দৃষ্টিতেই দেখেছি। এবং আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে আমি সেভাবেই চর্চিত করেছি। একবার তো ইস্তানবুলে থাকাকালীন আমার কোভিড হল।প্যাডিও তখন কাছে নেই । তখন তো সামনে পিছনে, ভিতরে বাইরে সব‌ই অজানা, অনিশ্চিত! তখন পরিবার, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের সাথে কথা বলে নিজের মনোবল আর ইতিবাচক মনোভাবটা ধরে রাখার চেষ্টা করতাম। এতে কাজ‌ও হয়েছিল। ইস্তানবুলে একটা তরতাজা আনন্দোচ্ছল মন নিয়ে এসেছিলাম। কোভিডের ছোবলে শরীর আর মন, দুইই বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিল।ইস্তানবুল এমনিতেই বড়ো শহর, প্রচুর লোকের সমাগম এখানে, তার ওপর তখন ছিল গরম। এটা সত্যিই তখন একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছিল আমার কাছে। 'আমি কি আবার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠব? অচিরেই থেমে যেতে হবে না তো?’ এইসব দুশ্চিন্তা মাথায় আসত।কিন্তু শেষমেষ কোভিডের প্রকোপ আমার শক্তি আর আত্মবিশ্বাসকে আর‌ও বাড়িয়ে দিয়ে গেল।কোভিড আমায় শিখিয়ে দিয়ে গেল যে মানুষ ইচ্ছাশক্তির বলে যে কোন কঠিন পরিস্থিতিকে জয় করতে সক্ষম।এমন কি সেই পরিস্থিতি যদি ভিন দেশে, ভিন্ন সংস্কৃতির পরিমণ্ডলের মধ্যেও আসে, তবুও। আমরা মনে মনে অনেক বিপদ আগেভাগে কল্পনা করে ফেলি। কিন্তু তাদের মধ্যে বেশীরভাগ‌ই শেষমেষ অমূলক আর অনর্থক বলেই পরিগণিত হয়। দরকার তো শুধু একটু যত্ন আত্তি'র।

প্রঃ  - উঠতি প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের জন্য কি বার্তা দিতে চাইবেন, আপনার এই রোমাঞ্চকর বিশ্ব-পরিক্রমা বিষয়ে? 

উঃ - ওদের উদ্দেশে এটাই বলব, যেটা করবে, ভালোবেসে, হৃদয় দিয়ে করবে। অজানা, অচেনা জিনিস বা পরিস্থিতিকে অযথা ভয় পেয়ো না। অজানা কিছু মানেই সেটা ভয়ঙ্কর কিছু নয়।অজানা'র মুখোমুখি হ‌ও, দেখবে অনেক সোনালী অভিজ্ঞতায় জীবনের ঝুলি ভরে উঠবে।এতো শক্তি, আত্মবিশ্বাস আর বাস্তব জ্ঞান লাভ করবে যে সারা জীবনের পথে কোথাও মুখ থুবড়ে পড়তে হবে না।আরাম আর আয়েশের ছোট্ট চৌহদ্দি থেকে শুধু নিজেকে বের করে আনো, নিজের হৃদয়ের ডাকে সাড়া দাও, আর অক্লান্তভাবে স্বপ্নকে তাড়া করো।সব উত্তর, সব জ্ঞান তোমাদের মধ্যেই আছে। বড়ো কাজ করতে হলে স্বপ্নটাও বড়ো করে দ্যাখো, নিজের উপর সর্বদা বিশ্বাস রাখো।ঠিক সময়ে তুমি ঠিক পুরস্কারটা পেয়ে যাবে, শুধু নিজের কাজে, নিজের পথে অবিচল থাকো। জীবনে কঠিন পরিস্থিতি আসবে, দাঁতে দাঁত চেপে লড়ে যাও।দেখবে, কঠিন পরিস্থিতি পিছনে ফেলে তুমি সামনে এগিয়ে গেছো। তোমাদের ব্যক্তিত্ব, শক্তি, তোমাদের আত্মবিশ্বাস যে মাঝখান থেকে অনেকগুন বেড়ে গেছে, এটা নিজেরাই অনুভব করবে।সারা বিশ্ব দু'হাত তুলে তোমাদেরকে আহ্বান করছে, কতো বিস্ময় তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে! তোমরা শুধু একবার বেরিয়ে পড়ো, আগাম পরিকল্পনা ছাড়াই বেরিয়ে পড়ো।সমস্যা অবশ্য‌ই আসবে, আবার সমাধান‌ও ঠিক বেরিয়ে আসবে। আমরা যখন পথ চলেছি, বহু ক্ষেত্রেই আমরা সকালে জানতাম না সন্ধ্যায় কোথায় পৌঁছবো।কোন পূর্বপরিকল্পনা না থাকায় কতো সময় এমন‌ও হয়েছে দারুণ দারুণ সব জায়গায় গিয়ে উপনীত হয়েছি ও বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গেছি।তখন নিজেদেরকেই ধন্যবাদ দিয়েছি আগেভাগে কোনরকম পরিকল্পনা না করার জন্য। পূর্বপরিকল্পনা এবং পূর্বনির্ধারণ বহু সোনালী সম্ভাবনার দ্বার রুদ্ধ করে দেয়।মনের সমস্ত দরজা সবসময়ের জন্য খোলা রাখো, নিজে সৎ থাকো, অন্যদের প্রতিও সৎ থাকো, নিজের উপর ভরসা রাখো, এবং সবসময় বর্তমানকালের পাটাতনের উপর পা রেখে চলো।প্রবহমান বর্তমানটাকে উপভোগ করো। জীবনকে উদযাপন করো। এটা ভেবো না জীবন খুব জটিল, কুটিল আর কঠিন।সহজভাবে জীবনকে দ্যাখো, দেখবে জীবনের সহজ পথ এমনিই ধরা দেবে।

প্রঃ  - অনাগত ভবিষ্যতের জন্য কি আশা বা পরিকল্পনা আছে আপনার?

উঃ - বাইকিং করব, সাইক্লিং করব, যেটা এখন‌ করছি।২০১৫ সালে যখন মিউনিখে পৌঁছলাম, সাইকেলে করে গোটা শহরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত চষে বেড়াতাম, আবহাওয়া যাইই হোক না কেন।আমাকে চেনেন এমন যেকোন ব্যক্তির কাছে সোফিয়া হল সেই মেয়েটা যে সবসময় বাইকে চেপে ঘোরে।ভবিষ্যতে আমি যোগাসন, সাইক্লিং, অ্যাডভেঞ্চার, ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন, এগুলোকে একসাথে নিয়েই চলতে চাই, কোন সুন্দর জায়গায়, চেনা চৌহদ্দির বাইরে।ভ্রমণ, রেস এসবে অংশগ্রহণ করার ইচ্ছেও রয়েছে। নিজের শহর আর তার আশপাশের জায়গাগুলোকে নতুন করে আবিষ্কার করতে চাই, এই বাইক আর তাঁবুকে সম্বল করেই।আপনজন, বন্ধুবান্ধব সব্বাইকে সঙ্গে নিয়েই সারাটা জীবন ঘুরে দেখিয়ে দিতে চাই যে এটাও একটা জীবনমার্গ, যেটা সবার জন্য সবসময়‌ই খোলা আছে।প্যাডি যে পথ আমাকে দেখিয়ে দিয়ে গেছে, সেই পথে চলতে চলতে এভাবেই আমি চলে যেতে চাই। আমার সাইক্লিং-কেরিয়ার সবে শুরু হয়েছে, মিউনিখে ফিরে আমি একটা রেসিং বাইক কিনব। অনেক কিছু যে এখন‌ও দেখা বাকি রয়ে গেছে। আমি কৃতজ্ঞ ভগবান আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যাবস্থাকে ঢেলে সাজাতে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বৈঠক
আগস্ট ১২, ২০২২

পর্যটকদের সুবিধার্থে বাগডোগরা-ঢাকা বিমান পরিসেবার দাবি

 

যাত্রী সুবিধার্থে এবার 'সাঁতরাগাছি-পুরী' বিশেষ ট্রেনের ঘোষণা রেলের
আগস্ট ১১, ২০২২

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে সাঁতরাগাছি-পুরী বিশেষ ট্রেন পরিসেবা

হলদিবাড়ি নয় , এনজেপি থেকেই চালাতে হবে দার্জিলিং মেল , দাবি ব্যবসায়ীদের
আগস্ট ১০, ২০২২

আগামী ১৫ই আগস্ট থেকে এনজিপির বদলে হলদিবাড়ি থেকে ছাড়বে দার্জিলিং মেল , তা ঘিরেই বিতর্ক

বাঘমুন্ডি ব্লকে অনুষ্ঠিত হল টুরিস্ট গাইড সার্টিফিকেশন কোর্সের শংসাপত্র প্রদানের অনুষ্ঠান
আগস্ট ০৫, ২০২২

কর্মতীর্থে পর্যটক সহায়তা কেন্দ্রের উদ্বোধন জেলাশাসক সহ মন্ত্রীর

মেরামতির কারণে দার্জিলিংয়ে কিছুদিনের জন্য বন্ধ টয়ট্রেন
আগস্ট ০৫, ২০২২

পুজোয় হুড়মুড়িয়ে আসবে পর্যটকরা , প্রস্তুতি নিতে লাইন মেরামত টয়ট্রেনের

ভিডিয়ো